মিলিয়নিয়র হওয়ার স্বপ্ন আপনি দেখতেই পারেন !! আপত্তি কোথায় ?

আমি ভোররাতে হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে ওঠা ফ্যান্টাসির কথা বলছি না। আমাদের অবচেতন মনে লুকিয়ে থাকা ইচ্ছে ঘুড়ি। ধনী হতে চায় না এমন লোক কমই আছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনী হতে পারলে বেশির ভাগ মানুষেরই জীবনের প্রায় সব, ৬৭% সমস্যাই দূর হয়ে যায়। তার মানে ধনী হওয়ার অর্থ হলো, জীবনে সমস্যা কম থাকা।কারো জীবনে সমস্যা যত কম হবে মানসিক চাপও ততই কম থাকবে। মানসিক চাপ কম থাকার মানে হলো আরো স্বাস্থ্যবান এবং সুখী জীবন যাপনের সুযোগ তৈরি হওয়া।

 

money diptoalo.com

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৪টি লক্ষণ দেখে বোঝা যাবে কেউ ধনী হতে পারবেন কিনা।

আসুন দেখে নেওয়া যাক আমাদের মাঝেও সেই লক্ষণগুলো আছে কি নেই :

  • স্থির হয়ে নিজেকে জিজ্ঞাস করুন তো আপনার জীবনে বড় কোনো স্বপ্ন বা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য আছে কি নেই ?
    গবেষণায় দেখা গেছে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের ৮০ শতাংশই জীবনে বড় স্বপ্ন বা লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের পেছনে ছুটেছেন।আপনার এ ধরনের লক্ষ বা উদ্দেশ্য না থাকলে স্থির হয়ে বসে ডিম পারুন।
  • প্রতিদিনই নতুন কিছু শেখার মানুষিকতা রাখুন
    আপনার যদি প্রতিদিনই নতুন নতুন জিনিস শেখার জন্য প্রচুর পড়াশোনার অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে আপনার ধনী হওয়ার সম্ভাবনা অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের ৮৮ শতাংশই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করে রাখেন শুধু নতুন কিছু শেখার উদ্দেশ্যে পড়াশোনার জন্য।

  • একজন মালিকের মতো করে ভাবতে শিখুন
    আপনার মাঝে একজন মালিকের মতোই মনোভাব রয়েছে। আপনি অন্যদের তুলনায় অনেক বড় চিন্তা করেন। আপনার জীবনের বড় কোনো লক্ষ্য-উদ্দেশ্য রয়েছে। আপনি যা কিছু করেন তার সবকিছুরই মালিকানা নিজের হাতে নিয়ে নেন। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের ৯০ শতাংশই ডিসিশন মেকার বা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী।
  • অবহেলা নয় দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন
    দায়িত্ব নিয়ে কাজকরুন, সে নিজের জন্য হোক বা অন্যের কাজ। এমনকি আপনি সব সময়ই বেশি বেশি দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ সন্ধান করতে পারেন। (হাঁপিয়ে উঠা) দুর্বল মানুষিকতার পরিচয় দিবেন না।
  • সমস্যা সমাধানে আপনি কিভাবে ঝুঁকি নেন ?
    ঝুঁকি নেওয়ার ব্যাপারে আপনি বেপরোয়া নন বরং সাবধানী লোক। সাবধানী লোকরা কোনো বিষয়ে ঝুঁকি নেওয়ার আগে সে বিষয়ে পর্যাপ্ত হোমওয়ার্ক করেন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেন। তারা যে বিষয়ে তাদের দক্ষতা ও জ্ঞান আছে শুধু সে বিষয়েই ঝুঁকি নেন। আর যেসব বিষয়ে তারা ঝুঁকি নেন সে সবকে সফল ব্যবসায় রুপান্তরিত করার আগে তারা নতুন নতুন ধারণার প্রচলন এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
  • পদক্ষেপ গ্রহণে ভয় কিংবা সংশয় নেই তো ?
    কোনো পদক্ষেপ গ্রহণে আপনি নিশ্চয় ভিতু নন। কারণ…

 

আপনি ব্যর্থতাকে ভয় পান না

ব্যর্থতাকে আপনি শুধু নতুন অভিজ্ঞতা লাভের উপায় হিসেবেই গণ্য করেন, তার বেশি কিছু নয়। মনে রাখবেন, “ব্যর্থতা কোন প্রতিবন্ধক হতে পারে না, যদি না তুমি তাকে এড়িয়ে যাও কিংবা ব্যর্থতা থেকে শিখতে না চাও”

আপনি অনেকের চেয়ে বেশি সময় স্থির হয়ে কাজ করেন

আপনি দিনের পর দিন, সপ্তাহব্যাপী, মাসজুড়ে ও বছরজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে ভয় পান না। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনীরা অন্যদের চেয়ে সপ্তাহে অন্তত ১১ ঘন্টা বেশি সময় ধরে কাজ করেন।

  • নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
    আপনি নিজেকে জীবনে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে সেসব অর্জনের পেছনে ছোটেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনীদের ৮০ শতাংশই বিশেষ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেই কাজ করেন। তারা প্রায় সকলেই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে এর পেছনে ছুটতে অভ্যস্ত।
  • প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যেতে চান নিশ্চয় ?
    আপনি মানভিত্তিক মনোভাবসম্পন্ন মানুষ। আপনি সব সময়ই অন্যদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যেতে চান।
  • সম্পর্কের ব্যাপারে খুবই সচেতন তো ?
    যে সম্পর্কগুলোকে আপনি মূল্যবান মনে করেন সেগুলোর ব্যাপারে আপনি খুবই যত্নবান। জন্মদিনে বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে আপনি শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য তাদেরকে ফোন দেন। ধন্যবাদ দিয়ে কার্ড পাঠান। নিজের মূল্যবান সম্পর্কগুলোর জীবনের গুরুত্বপুর্ণ ঘটনাকে স্বীকৃতি দেন আপনি। নিজের মূল্যবান সম্পর্কগুলোকে আপনি স্বর্ণের মতোই মূল্যবান মনে করেন। সম্পর্কই আপনার মুদ্রা।
  • যে কোন শ্রেনির মানুষের সাথে খুব সহজের মিসতে হবে
    মনে রাখবেন এটা একটা মহৎ গুন। আপনাকেও এটা আয়ত্তে আনতে হবে। লোকে আপনাকে পছন্দ করে এবং আপনার সঙ্গে কাজ করতে ও লেনদেন করতেও পছন্দ করে। লোককে আপনি নিজেদের ব্যাপারে উচ্চ ধারণা পোষণ, নিজেকে সুখী ভাবতে এবং উদ্যোমী ও আশাবাদি হয়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করুন।
  • দলবদ্ধ হয়ে কাজ করুন
    একজন ব্যবস্থাপক অন্যের দ্বারা কাজ করিয়ে নেয়। ব্যবস্থাপকের গুণাবলিগুলো আপনার থাকা চাই। প্রযোজনে আরো বেশি বেশি বই পড়ুন। দল গঠন করুন আর অন্যদের কাজে লাগান। আপনি লোকের সঙ্গ পছন্দ করেন বলেই দলগতভাবে কাজ করতে খুবই পছন্দ করেন। জীবনে কেউই একা একা সফল হতে পারেন না। প্রত্যেক ধনী ব্যক্তির সফলতার পেছনে তাদের সঙ্গী সাথীদের অবদান রেখেছে।

আপনি সমমনা ও সাফল্য প্রত্যাশী লোকদের খুঁজে বেড় করুন তাদের সাথে বন্ধুত্ব করুন সঙ্গ নিন। তাদের অভিজ্ঞতা নিন, আর নিজের মত করে আপনার উদ্দ্যেশে যাত্রা করুন। সবার সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করুন যাতে লোকে আপনার সঙ্গ কামনা করে। সর্বোপরি গুরুত্বহীন কাজে চিন্তায় সময় নষ্ট করবেন না।

এই সংক্রান্ত আরও খবর...

1 Response

  1. ANIS KHAN says:

    good

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *