গল্প লেখার পদ্ধতি :

যেভাবে গল্প লিখতে হয়

Story-writing-method

গল্প লিখতে পারে এমন লোক দুনিয়ায়  খুবই বিরল। অনেকেই জমিয়ে গল্প বলতে পারে। আসর মাতিয়ে তোলে তারা কথায় ফুলঝুরি ছুটিয়ে। কিন্তু জমিয়ে গল্প বলা একজিনিস, আর গল্প লেখা আরেক। গল্প লেখা মানে গল্প তৈরি করা। কাহিনী বানানো। কিন্তু কেন সবাই গল্প লিখতে পারে না…?? এর উত্তর খুবই সহজ। গল্প লেখার কিছু নিজস্ব কলাকৌশল আছে। আমার নিজস্ব কিছু চিন্তাভাবনা থেকে আপনাদের সাথে শেয়ার করছিঃ

পাঠকের চোখ দিয়ে দেখুন :

লেখার সময় পাঠকের কথা মাথায় রাথতে হবে । সবার আগে ভাবতে হবে , তোমার লেখা কেউ পড়ছে । একেবারে অচেনা কেউ পড়ছে । পুরো গল্পটা তোমার মাথায় আছে বটে, কিন্তু ওই অপরিচিত পাঠক এর কিছুই জানে না। সে শুধু সেটুকুই জানছে, যেটুকু তুমি লিখছো। অধিকাংশ লোক ভালো লিখতে পারে না, মনে মনে পাঠকের চোখ দিয়ে নিজের লেখাটি পড়তে পারে না বলে।

কাহিনীর নিজস্ব নিয়ম :

তুমি একটা গল্প লেখার জন্য একটা কাহিনী ঠিক করেছ। লিখতেও শুরু করে দিয়েছ। কিন্তু তুমি শুরুতে যেভাবে ভেবেছ, লিখতে লিখতে কাহিনী আর সেদিকে নাও যেতে পারে । যদি বদলে যায়, বুঝবে গল্পটা ভালো হয়েছে।

একসঙ্গে পুরাটা না বলা :

তোমার মাথায় একটা আইডিয়া এসেছে। কিন্তু সেটা পুরাটা বলা যাবে না। একটু একটু করে বলো/লিখো। হ্যামিলনের নামটি কি গল্পে হয়েছে …?? হয়নি। তাতে গল্প বুঝতে কোনো সমস্যা তো হয়নি …?? তাই এক সঙ্গে পুরোটা না ‍লেখাই ভালো। কারণ এখানে আকর্ষণ থাকবে।

লেখকের লেখা লক্ষ করা :

যারা ভালো গল্প লেখেন, মানে তোমার প্রিয় লেখক যারা, তাদের লেখা একাধিক বার পড়ো।

১)  প্রথমবার পড়ো গল্প পড়ার মজা নেওয়ার জন্য।

২)  দ্বিতীয় বার পড়ো কিভাবে গল্পটা লেখা হয়েছে সেটা লক্ষ ‍করার জন্য।

৩)  বোঝার চেষ্টা করো, তারা গল্পটা কিভাবে সাজিয়েছে। কিভাবে শুরু করেছে। কিভাবে শেষ করেছে ।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, ভলো লেখক হতে গেলে সবার আগে দরকারি, ভালো-মন্দ, সব ধরনের লেখা পড়তে হবে। লেখকদের বইয়ের পোকা না হলে তুমি কোনো উপায়ে ভালো লিখতে পারবে না।

সবাইকে ধন্যবাদ

এই সংক্রান্ত আরও খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *