জেনে নিন কিছু তথ্য, সমৃদ্ধ করুন জ্ঞান ভান্ডার !!

  • আপনি কি জানেন পিচার প্ল্যান্ট কি …?

  • আপনি কি জানেন পেন্টাগনে প্রতিদিন কতটি কল আসে যায়… ?

  • আপনার কি জানা আছে আজকের নেসক্যাফে কিভাবে কোথা থেকে এলো …?

যদি জানা না ই থাকে তাহলে এখনই অল্পবিস্তর ধারণা পেয়ে যাবেন এসম্পর্কে !

know-some-information-and-rich-your-knowledge..

পিচার প্ল্যান্টঃ

বনের পোকামাকড়-কীটপতঙ্গের কাছে এক আতংকের নাম পিচার প্ল্যান্ট । কারণ এ উদ্ভিদের খাদ্য তালিকার সবচেয়ে উপরে আছে জীবন্ত প্রাণী ! কলসের মত দেখতে হওয়ায় বাংলায় এর নামকরণ করা হয়েছে কলস উদ্ভিদ । দক্ষিণ আমেরিকা, মালয়েশিয়া, মাদাগাস্কার, শ্রীলংকা ও ভারতসহ বিভিন্নদেশে এর ৮০ টি প্রজাতি রয়েছে । এগুলো দেখতে ফোলা কলসের মত লাগে । ভিতরের অংশ থাকে ফাঁপা । পাতার মুখের কাছে ঢাকনা থাকে । কলসের সঙ্গে যুক্ত পাতাটি নলের মত । নলের শুরুতে থাকে প্রবেশমুখ । প্রবেশমুখে উৎপন্ন এক প্রকার মধুর কারণে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন পোকামাকড় পাতার মধ্য দিয়ে ঢুকে । নলের ভিতরের অংশ এত পিচ্ছিল যে তারা আর বের হতে পারে না, বরং পিছলে নিচে পড়ে যায় । তখন পিচার প্ল্যান্টের পরিপাকে সাহায্যকারী এক ধরণের রস এসে পোকামাকড়ের দেহের নরম অংশ গলিয়ে ফেলে এবং শোষিত হতে সাহায্য করে । এভাবেই শিকারকে গিলে ফেলে খাদ্য চাহিদা পূরণ করে এই মরন উদ্ভিদ !

পেন্টাগনঃ

পেন্টাগণ হল বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ভবনের নাম। ১৯৪৩ সালে ভার্জিনিয়ার পটোম্যাস নদীর তীরে ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার ব্যয়ে ৫ তলা এ ভবন নির্মিত হয় । পাঁচটি ভূজযুক্ত নকশার কারণেই একে পেন্টাগণ বলা হয় । এখানে প্রায় ২৯ হাজার কর্মচারী রয়েছে । মোট ৪৫ হাজার টেলিফোনে দৈনিক ২ লাখ ৮০ হাজার ফোনকল আসে পেন্টাগণে । কেউ যদি পেন্টাগণের এ ভবনটি ঘুরে দেখতে চায় তাকে হাঁটতে হবে ২৭ কি.মি. এর লম্বা পথ !

 

কফিঃ

পৃথিবীর অনেক দেশেই কফির জনপ্রিয়তা সর্বোচ্চ স্থানে । এর আদিম জস্মস্থান আফ্রিকার ইথিওপিয়া । তবে সারা বিশ্বে এই পানীয়টিকে ছড়িয়ে দেওয়ার কৃতিত্ব তৎকালীন উন্নত আরবের লোকদের ! নব্য ইসলামিক যুগে ইসলামের বাণী ছড়াতে তারা বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করতেন । ভ্রমণরত অবস্থায় তখনকার আবিসিনিয়া অর্থাৎ বর্তমানের ইথিওপিয়াতে কফির সন্ধান পান তারা । এরপর ইরান, তুরষ্ক এবং পরবর্তীতে গোটা ইওরোপে ছড়িয়ে পড়ে কফি । বর্তমানে কফি উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে আছে ব্রাজিল । কফি ছোট গুল্ম জাতের উদ্ভিদ । বীজ থেকে গাছের জন্ম হয় । তিন বছর বয়স থেকে বসন্তকালে গাছে সুগন্ধযুক্ত ফুল ফোটে । এই ফুল ঝরে পড়লে ফল হয় । পাকা ফলটাকে শুকিয়ে ভিতরের বীজ বের করে নেওয়া হয় । বীজ থেকে চেরিকফি আর ফল সিদ্ধ করে উপরের আবরণ ফেলে দিয়ে পার্চমেন্ট কফি তৈরি হয় । এখন অবশ্য উন্নত প্রযুক্তিতে এসব করে উন্নত কফি তৈরি করা হয় ।

এই সংক্রান্ত আরও খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *